
ঠান্ডার কারণে আপনার প্যাটিওর লাভ নষ্ট হতে দেবেন না।
তাপমাত্রা কমে গেলে, বেশিরভাগ বাইরের খাবার খাওয়ার জায়গাগুলো অকেজো হয়ে যায়। আপনি সম্ভবত সাধারণ হিটারগুলো ব্যবহার করে দেখেছেন; কিন্তু সেগুলো কোনো কাজে আসে না। এগুলো বাতাসকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে; কিন্তু হাওয়া বয়লেই সেই উষ্ণতা চলে যায়।
এজন্যই আমরা সিলিং-এ লাগানো ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করি। এগুলো বাতাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে না; বরং সেগুলো শুধুমাত্র তাদের লক্ষ্যবস্তুগুলোকে উত্তপ্ত করে—যেমন আপনার অতিথিরা, তাদের চেয়ারগুলো, টেবিলগুলো। এটা যেন ঝলমলে দিনে রোদে দাঁড়িয়ে থাকার মতো।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এগুলোর অবস্থান।
আমরা এগুলোকে সিলিং-এ লাগাই, যাতে টেবিলগুলোর উপর এক ধরনের “উষ্ণতার ছাতা” তৈরি হয়। প্যাটিওরের বাকি অংশটা যতই ঠান্ডা থাকুক না কেন, আপনার অতিথিরা আরামে থাকবেন।
এখানেই আসে লাভের বিষয়টি।
শীতকালে অনেক চেয়ার খালি থাকে, আর জায়গাও অপচয় হয়। কিন্তু যখন উষ্ণতা ঠিকমতো থাকে, তখন দুটি জিনিস ঘটে।
প্রথমত, মানুষরা আবার বাইরে বসতে চায়।
দ্বিতীয়ত, তারা আরও সময় কাটায়। ভাবুন তো: যখন কোনো অতিথি ঠান্ডায় কাঁপছে, তখন সে দ্রুত খেয়ে চলে যায়। কিন্তু যখন সে আরামে থাকে, তখন সে আরও কিছুক্ষণ থাকে। সে ডেজার্ট অর্ডার করে, আরাম করে।
কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার।
আপনি এগুলোকে সিলিং-এ লাগিয়েই থামবেন না। উচ্চতাটাও গুরুত্বপূর্ণ। যদি এগুলো খুব উঁচুতে থাকে, তাহলে উষ্ণতা অতিথিদের কাছে পৌঁছানোর আগেই চলে যাবে। আবার যদি খুব নিচে থাকে, তাহলে সেখানে বসা মানুষটি পুড়ে যাবে। আমরা সাধারণত এগুলোকে বিভিন্ন জায়গায় লাগানোর পরামর্শ দিই; যাতে হিটারগুলোর মাঝে কোনো “ঠান্ডা জায়গা” না থাকে।
শেষ কথা: এগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
ডজন খানেক হিটার কেনার আগে আপনার ব্রেকার প্যানেলটি ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। শুক্রবার রাতে যখন অনেক লোক খাবার খাচ্ছে, তখন যদি বিদ্যুৎ চলে যায়, তাহলে সমস্যা হবে। তাই এখনই কয়েকটি আলাদা লাইন ব্যবহার করা ভালো।